Blog Details | FreeLancing IT is an Online Training Center!

আমি অলস মানুষ কি করব?

আমি অলস মানুষ কি করব?

অলসতা একটি সাধারণ সমস্যা যা অনেক লোকের সাথে লড়াই করে। প্রচেষ্টা এবং একাগ্রতা প্রয়োজন এমন কাজের মুখোমুখি হলে অনুপ্রাণিত এবং সক্রিয় থাকা কঠিন হতে পারে। যাদের কিছু করার অনুপ্রেরণা খুঁজে পেতে অসুবিধা হয় তাদের জন্য এটি একটি অনতিক্রম্য বাধার মতো অনুভব করতে পারে। সৌভাগ্যবশত, অলসতা মোকাবেলা এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করার উপায় রয়েছে। এই নিবন্ধে, আমরা আলোচনা করব যে অলস ব্যক্তিদের তাদের জীবনে আরও উত্পাদনশীল হতে সাহায্য করার জন্য কী করা যেতে পারে।

আপনি কি সময় এবং শক্তিকে আরও ভালভাবে পরিচালনা করার উপায় খুঁজছেন? আপনি কি বিলম্বের মধ্যে আটকে আছেন এবং জিনিসগুলি সম্পন্ন করার ধারণা দ্বারা অভিভূত বোধ করছেন? যদি তাই হয়, আপনি একা নন। অনেক লোক "অলস" হওয়ার সাথে লড়াই করে এবং সেই চক্র থেকে বেরিয়ে আসতে অক্ষম বলে মনে হয়। কিন্তু চিন্তা করবেন না - আপনাকে আরও উত্পাদনশীল হতে সাহায্য করার জন্য পদক্ষেপ রয়েছে!

অলস মানুষ

অলস মানুষ আমাদের চারপাশে আছে; পালঙ্ক-প্রেমময় ঢিলেঢালা থেকে শুরু করে বিলম্বকারী পর্যন্ত যারা কখনোই এটি সম্পন্ন করে না। কিন্তু আমাদের মধ্যে যাদের অলস ধারা রয়েছে তাদের নিষ্ক্রিয়তা এবং অলসতার জীবনের জন্য ধ্বংস হওয়ার দরকার নেই — আমাদের মনোভাব এবং পছন্দগুলি থেকে সর্বাধিক লাভ করতে আমরা প্রচুর উত্পাদনশীল জিনিস করতে পারি। এই নিবন্ধে, আমরা অলস লোকেদের অলসতার প্রতি তাদের প্রবণতা দ্বারা অভিভূত বা হতাশ না হয়ে সক্রিয় এবং নিযুক্ত থাকার জন্য কী করতে পারে তা অন্বেষণ করব। আমরা দেখব যে কীভাবে একটি সক্রিয় জীবনধারায় নেতৃত্ব দেওয়া যা আপনার জন্য কাজ করে তার অর্থ সর্বদা নিজেকে খুব কঠিন ঠেলে দেওয়া নয়, বরং আপনার স্বাচ্ছন্দ্য অঞ্চলের মধ্যে নিজেকে চ্যালেঞ্জ করার উপায় খুঁজে বের করা। আমরা আরও আলোচনা করব যে কীভাবে কিছুটা অলস হওয়া আসলে উপকারী হতে পারে, আপনাকে শক্তি সংরক্ষণ করতে এবং চাপের মাত্রা কম রাখতে সহায়তা করে।


অলসতার কারণ

অলসতা একটি বিস্তৃত সমস্যা যা আমাদের অনেককে প্রভাবিত করে। আমরা ভাবতে পারি যে আমরা এটিকে সহজভাবে ঝেড়ে ফেলতে পারি, কিন্তু সত্য হল যে আমাদের অলসতার গুরুতর পরিণতি হতে পারে। উত্পাদনশীলতা হ্রাস থেকে অপরাধবোধ এবং হতাশার অনুভূতি পর্যন্ত, অলসতার কারণ কী তা বোঝা আমাদের সমস্যাটিকে আরও অর্থপূর্ণ উপায়ে সমাধান করতে সহায়তা করতে পারে।

কেউ কেন অলস বা অনুপ্রাণিত বোধ করতে পারে তার বিভিন্ন সম্ভাব্য কারণ রয়েছে। এর মধ্যে একটি অস্বাস্থ্যকর জীবনধারা, ঘুমের অভাব, অত্যধিক চাপ, হতাশা এবং উদ্বেগ, কর্মক্ষেত্রে সহকর্মী বা সহকর্মীদের সাথে অমীমাংসিত দ্বন্দ্ব, অপ্রশংসিত বোধ করা বা চাকরিতে যথেষ্ট স্বায়ত্তশাসন না থাকা এবং এমনকি উদ্দীপনার অভাব থেকে একঘেয়েমি অন্তর্ভুক্ত। উপরন্তু, কিছু লোক পরিপূর্ণতাবাদ এবং বিলম্বের সাথে লড়াই করতে পারে যা তাদের অলসতার অনুভূতিতে আরও অবদান রাখতে পারে।


অলস অভ্যাস সনাক্তকরণ

অলস অভ্যাস ভাঙ্গা কঠিন হতে পারে, কিন্তু তাদের চিরকাল আপনার সাথে থাকতে হবে না। আপনি যদি আপনার অলস জীবনযাত্রাকে লাথি দেওয়ার এবং আরও উত্পাদনশীল হওয়ার উপায় খুঁজছেন তবে এখানে কয়েকটি টিপস রয়েছে যা সাহায্য করতে পারে।

প্রথমত, আপনি কেন এত অলস এবং অনুপ্রাণিত বোধ করছেন তার মূল কারণ চিহ্নিত করুন। এটা কি একঘেয়েমির কারণে? নাকি শক্তির অভাব? একবার আপনি আপনার অলসতার কারণ খুঁজে বের করলে, কোন অভ্যাস পরিবর্তন করা দরকার তা চিহ্নিত করা আপনার পক্ষে সহজ হবে।

দ্বিতীয়ত, প্রতিদিন নিজের জন্য ছোট ছোট অর্জনযোগ্য লক্ষ্য তৈরি করুন। এটি আপনাকে আপনার প্লেটে অনেকগুলি জিনিস রেখে অভিভূত হওয়ার পরিবর্তে একবারে একটি কাজের উপর ফোকাস করতে সক্ষম করবে। এছাড়াও সারা দিন আপনার জন্য অনুস্মারক সেট করুন কারণ এটি আপনাকে জবাবদিহি করতে এবং কাজগুলি সময়মতো সম্পন্ন করা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।


কাজগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া

একজন অলস ব্যক্তি হিসাবে, অনুপ্রাণিত এবং উত্পাদনশীল থাকা একটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে। সংগঠিত এবং সফল থাকার জন্য কাজগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া একটি মূল কৌশল। লক্ষ্যগুলি স্থাপন করা এবং সেগুলিকে ছোট, অর্জনযোগ্য কাজগুলিতে বিভক্ত করা আপনার কাজের চাপকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রথম পদক্ষেপ। আপনি যা করতে হবে তার একটি তালিকা তৈরি করে শুরু করা উচিত; এটি আপনাকে কোন কাজগুলি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং কোনটি কম জরুরি হতে পারে তা নির্ধারণ করতে সাহায্য করবে৷ একবার আপনি শনাক্ত করেছেন যে কী করা দরকার, গুরুত্ব বা জরুরিতার ক্রমে প্রতিটিকে অগ্রাধিকার দিন। এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইটেমগুলিতে আপনার ফোকাস রাখতে সাহায্য করবে এবং আপনার দিনটি গ্রহণ করা থেকে বিলম্ব রোধ করবে। কিছু নির্দিষ্ট কাজ সম্পূর্ণ করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা সেট করাও সহায়ক যাতে আপনি পিছিয়ে না পড়েন বা পুরোপুরি হাল ছেড়ে না দেন।


ইতিবাচক শক্তিবৃদ্ধি

ইতিবাচক শক্তিবৃদ্ধি মানুষকে কিছু করতে অনুপ্রাণিত করার জন্য একটি কার্যকর হাতিয়ার, এমনকি যখন তারা অনুপ্রাণিত বোধ করে। যারা নিজেদের অলস বলে মনে করেন তাদের জন্য এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি তাদের বিলম্ব এবং আত্ম-নাশকতার চক্র ভাঙতে সাহায্য করতে পারে।

একজন "অলস ব্যক্তি" হিসাবে চিহ্নিত করা সবচেয়ে শক্তিশালী জিনিসগুলির মধ্যে একটি হল অর্জনযোগ্য লক্ষ্য নির্ধারণ করা এবং তারপরে সেই লক্ষ্যগুলি অর্জনের জন্য নিজেকে পুরস্কৃত করা। এটি একটি কাজ শেষ করার পরে বিরতি নেওয়া বা উত্পাদনশীল কিছু করার পরে তাদের প্রিয় শো দেখার জন্য কিছু সময় নেওয়া থেকে কিছু হতে পারে। ইতিবাচক শক্তিবৃদ্ধি কাজ করে কারণ এটি পছন্দসই আচরণের সাথে ইতিবাচক অনুভূতি যুক্ত করে ভাল অভ্যাস তৈরি করে। যখন কেউ সাফল্যকে পুরষ্কারের সাথে যুক্ত করে তখন তারা খুব বেশি কাজ করার ধারণায় পুড়ে যাওয়া বা অভিভূত না হয়ে সেই লক্ষ্যের দিকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

ইতিবাচক শক্তিবৃদ্ধি হল একটি শক্তিশালী হাতিয়ার যাতে লোকেদের ফোকাসড এবং উৎপাদনশীল থাকতে অনুপ্রাণিত করা যায়। এটি তাদের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক হতে পারে যারা অলসতার সাথে লড়াই করে, তাদের ধ্বংসাত্মক চক্র থেকে বেরিয়ে আসতে এবং তাদের জীবনে এগিয়ে যেতে দেয়। ইতিবাচক শক্তিবৃদ্ধির মধ্যে পুরষ্কার বা প্রশংসা প্রদান করা জড়িত যখন কেউ একটি লক্ষ্য অর্জন করে বা সঠিক কিছু করে, যা আত্মসম্মান তৈরি করতে এবং সাফল্যের মনোভাব গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারে।

ইতিবাচক শক্তিবৃদ্ধি ব্যক্তিদের অনুপ্রেরণা দেয় যে তাদের কাজটি অসম্ভব বলে মনে হলেও চালিয়ে যেতে হবে। এটি তাদের ঝুঁকি নিতে উত্সাহিত করে, কারণ তারা নতুন কিছু চেষ্টা করার সম্ভাবনা বেশি যদি তারা জানে যে তারা এর জন্য পুরস্কৃত হবে। উপরন্তু, ইতিবাচক শক্তিবৃদ্ধি লক্ষ্যগুলির দিকে অগ্রগতির উপর ধারাবাহিক প্রতিক্রিয়া প্রদান করে, যাতে লোকেরা দেখতে পারে যে তারা কতদূর এসেছে এবং তারা যা অর্জন করেছে তার জন্য গর্ব বোধ করতে পারে। সাফল্য অর্জন করা - যতই ছোট হোক না কেন - অবিশ্বাস্যভাবে উত্সাহিত হতে পারে!


ব্রেকিং আপ টাস্ক

কাজটিকে পরিচালনাযোগ্য খণ্ডে বিভক্ত করা এমনকি অলস ব্যক্তিদের জন্যও বড় কাজগুলি মোকাবেলা করার একটি কার্যকর উপায়। এটা কোন গোপন বিষয় নয় যে আমাদের বেশিরভাগেরই আমাদের যা করতে হবে তা বন্ধ করার প্রবণতা রয়েছে এবং এটি বিশেষভাবে সত্য যদি এটি একটি বিশাল উদ্যোগের মতো মনে হয়। কিন্তু কাজটিকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে, আপনি সহজেই এটি সম্পূর্ণ করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করতে পারেন।

আপনার কাজগুলিকে বিচ্ছিন্ন করার সর্বোত্তম উপায় হল নির্দিষ্ট লক্ষ্য তৈরি করা যেমন সময়সীমার সময়সীমা এবং প্রতিটি লক্ষ্যের মধ্যে মিনি-টাস্কগুলি। এটি অলস ব্যক্তিদের পুরো প্রকল্পের দ্বারা অভিভূত বা ভয় না পেয়ে এক সময়ে একটি অংশে ফোকাস করা সহজ করে তুলবে। আপনি আপনার অগ্রগতি জুড়ে পুরষ্কারও সেট করতে পারেন যা শুধুমাত্র অনুপ্রেরণা হিসাবে কাজ করে না বরং এর মধ্যে উপভোগ্য কিছু দিয়ে দীর্ঘ প্রসারিত কাজকে ভেঙে দিতে সহায়তা করে।


উপসংহার: উৎসাহমূলক কর্ম

একজন অলস ব্যক্তি হিসাবে, এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে কিছু না করার চেয়ে পদক্ষেপ নেওয়া সর্বদা ভাল। সামঞ্জস্যপূর্ণ, ছোট পদক্ষেপগুলি গতিবেগ তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত বৃহত্তর কর্মের দিকে নিয়ে যেতে পারে। এটি স্বীকার করাও গুরুত্বপূর্ণ যে যাত্রাটি চ্যালেঞ্জিং হতে পারে এবং অগ্রগতি অর্জনের জন্য উত্সর্গ এবং প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন।

একজন অলস ব্যক্তির জন্য উৎসাহমূলক কাজ শুরু করার সর্বোত্তম উপায় হল অর্জনযোগ্য লক্ষ্য নির্ধারণ করা। নিশ্চিত করুন যে এগুলি বাস্তবসম্মত এবং অর্জনযোগ্য; এটি ন্যূনতম প্রচেষ্টার সাথে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা, গঠন এবং দিকনির্দেশ প্রদান করতে সহায়তা করবে। উপরন্তু, এটি বড় কাজগুলিকে ছোট অংশে বিভক্ত করা বা প্রয়োজনে বন্ধু বা পরিবারের সমর্থন তালিকাভুক্ত করা সহায়ক হতে পারে। সঠিক মনোভাব এবং আচরণের সাথে, একজন অলস ব্যক্তি সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে! 

Comments (0)

Search
Popular categories
Latest blogs
আমি অলস মানুষ কি করব?
আমি অলস মানুষ কি করব?
অলসতা একটি সাধারণ সমস্যা যা অনেক লোকের সাথে লড়াই করে। প্রচেষ্টা এবং একাগ্রতা প্রয়োজন এমন কাজের মুখোমুখি হলে অনুপ্রাণিত এবং সক্রিয় থাকা কঠিন হতে পারে। যাদের কিছু করার অনুপ্রেরণা খুঁজে পেতে অসুবিধা হয় তাদের জন্য এটি একটি অনতিক্রম্য বাধার মতো অনুভব করতে পারে। সৌভাগ্যবশত, অলসতা মোকাবেলা এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করার উপায় রয়েছে। এই নিবন্ধে, আমরা আলোচনা করব যে অলস ব্যক্তিদের তাদের জীবনে আরও উত্পাদনশীল হতে সাহায্য করার জন্য কী করা যেতে পারে।আপনি কি সময় এবং শক্তিকে আরও ভালভাবে পরিচালনা করার উপায় খুঁজছেন? আপনি কি বিলম্বের মধ্যে আটকে আছেন এবং জিনিসগুলি সম্পন্ন করার ধারণা দ্বারা অভিভূত বোধ করছেন? যদি তাই হয়, আপনি একা নন। অনেক লোক "অলস" হওয়ার সাথে লড়াই করে এবং সেই চক্র থেকে বেরিয়ে আসতে অক্ষম বলে মনে হয়। কিন্তু চিন্তা করবেন না - আপনাকে আরও উত্পাদনশীল হতে সাহায্য করার জন্য পদক্ষেপ রয়েছে!অলস মানুষ অলস মানুষ আমাদের চারপাশে আছে; পালঙ্ক-প্রেমময় ঢিলেঢালা থেকে শুরু করে বিলম্বকারী পর্যন্ত যারা কখনোই এটি সম্পন্ন করে না। কিন্তু আমাদের মধ্যে যাদের অলস ধারা রয়েছে তাদের নিষ্ক্রিয়তা এবং অলসতার জীবনের জন্য ধ্বংস হওয়ার দরকার নেই — আমাদের মনোভাব এবং পছন্দগুলি থেকে সর্বাধিক লাভ করতে আমরা প্রচুর উত্পাদনশীল জিনিস করতে পারি। এই নিবন্ধে, আমরা অলস লোকেদের অলসতার প্রতি তাদের প্রবণতা দ্বারা অভিভূত বা হতাশ না হয়ে সক্রিয় এবং নিযুক্ত থাকার জন্য কী করতে পারে তা অন্বেষণ করব। আমরা দেখব যে কীভাবে একটি সক্রিয় জীবনধারায় নেতৃত্ব দেওয়া যা আপনার জন্য কাজ করে তার অর্থ সর্বদা নিজেকে খুব কঠিন ঠেলে দেওয়া নয়, বরং আপনার স্বাচ্ছন্দ্য অঞ্চলের মধ্যে নিজেকে চ্যালেঞ্জ করার উপায় খুঁজে বের করা। আমরা আরও আলোচনা করব যে কীভাবে কিছুটা অলস হওয়া আসলে উপকারী হতে পারে, আপনাকে শক্তি সংরক্ষণ করতে এবং চাপের মাত্রা কম রাখতে সহায়তা করে। অলসতার কারণ অলসতা একটি বিস্তৃত সমস্যা যা আমাদের অনেককে প্রভাবিত করে। আমরা ভাবতে পারি যে আমরা এটিকে সহজভাবে ঝেড়ে ফেলতে পারি, কিন্তু সত্য হল যে আমাদের অলসতার গুরুতর পরিণতি হতে পারে। উত্পাদনশীলতা হ্রাস থেকে অপরাধবোধ এবং হতাশার অনুভূতি পর্যন্ত, অলসতার কারণ কী তা বোঝা আমাদের সমস্যাটিকে আরও অর্থপূর্ণ উপায়ে সমাধান করতে সহায়তা করতে পারে।কেউ কেন অলস বা অনুপ্রাণিত বোধ করতে পারে তার বিভিন্ন সম্ভাব্য কারণ রয়েছে। এর মধ্যে একটি অস্বাস্থ্যকর জীবনধারা, ঘুমের অভাব, অত্যধিক চাপ, হতাশা এবং উদ্বেগ, কর্মক্ষেত্রে সহকর্মী বা সহকর্মীদের সাথে অমীমাংসিত দ্বন্দ্ব, অপ্রশংসিত বোধ করা বা চাকরিতে যথেষ্ট স্বায়ত্তশাসন না থাকা এবং এমনকি উদ্দীপনার অভাব থেকে একঘেয়েমি অন্তর্ভুক্ত। উপরন্তু, কিছু লোক পরিপূর্ণতাবাদ এবং বিলম্বের সাথে লড়াই করতে পারে যা তাদের অলসতার অনুভূতিতে আরও অবদান রাখতে পারে। অলস অভ্যাস সনাক্তকরণ অলস অভ্যাস ভাঙ্গা কঠিন হতে পারে, কিন্তু তাদের চিরকাল আপনার সাথে থাকতে হবে না। আপনি যদি আপনার অলস জীবনযাত্রাকে লাথি দেওয়ার এবং আরও উত্পাদনশীল হওয়ার উপায় খুঁজছেন তবে এখানে কয়েকটি টিপস রয়েছে যা সাহায্য করতে পারে।প্রথমত, আপনি কেন এত অলস এবং অনুপ্রাণিত বোধ করছেন তার মূল কারণ চিহ্নিত করুন। এটা কি একঘেয়েমির কারণে? নাকি শক্তির অভাব? একবার আপনি আপনার অলসতার কারণ খুঁজে বের করলে, কোন অভ্যাস পরিবর্তন করা দরকার তা চিহ্নিত করা আপনার পক্ষে সহজ হবে।দ্বিতীয়ত, প্রতিদিন নিজের জন্য ছোট ছোট অর্জনযোগ্য লক্ষ্য তৈরি করুন। এটি আপনাকে আপনার প্লেটে অনেকগুলি জিনিস রেখে অভিভূত হওয়ার পরিবর্তে একবারে একটি কাজের উপর ফোকাস করতে সক্ষম করবে। এছাড়াও সারা দিন আপনার জন্য অনুস্মারক সেট করুন কারণ এটি আপনাকে জবাবদিহি করতে এবং কাজগুলি সময়মতো সম্পন্ন করা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। কাজগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া একজন অলস ব্যক্তি হিসাবে, অনুপ্রাণিত এবং উত্পাদনশীল থাকা একটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে। সংগঠিত এবং সফল থাকার জন্য কাজগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া একটি মূল কৌশল। লক্ষ্যগুলি স্থাপন করা এবং সেগুলিকে ছোট, অর্জনযোগ্য কাজগুলিতে বিভক্ত করা আপনার কাজের চাপকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রথম পদক্ষেপ। আপনি যা করতে হবে তার একটি তালিকা তৈরি করে শুরু করা উচিত; এটি আপনাকে কোন কাজগুলি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং কোনটি কম জরুরি হতে পারে তা নির্ধারণ করতে সাহায্য করবে৷ একবার আপনি শনাক্ত করেছেন যে কী করা দরকার, গুরুত্ব বা জরুরিতার ক্রমে প্রতিটিকে অগ্রাধিকার দিন। এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইটেমগুলিতে আপনার ফোকাস রাখতে সাহায্য করবে এবং আপনার দিনটি গ্রহণ করা থেকে বিলম্ব রোধ করবে। কিছু নির্দিষ্ট কাজ সম্পূর্ণ করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা সেট করাও সহায়ক যাতে আপনি পিছিয়ে না পড়েন বা পুরোপুরি হাল ছেড়ে না দেন। ইতিবাচক শক্তিবৃদ্ধি ইতিবাচক শক্তিবৃদ্ধি মানুষকে কিছু করতে অনুপ্রাণিত করার জন্য একটি কার্যকর হাতিয়ার, এমনকি যখন তারা অনুপ্রাণিত বোধ করে। যারা নিজেদের অলস বলে মনে করেন তাদের জন্য এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি তাদের বিলম্ব এবং আত্ম-নাশকতার চক্র ভাঙতে সাহায্য করতে পারে।একজন "অলস ব্যক্তি" হিসাবে চিহ্নিত করা সবচেয়ে শক্তিশালী জিনিসগুলির মধ্যে একটি হল অর্জনযোগ্য লক্ষ্য নির্ধারণ করা এবং তারপরে সেই লক্ষ্যগুলি অর্জনের জন্য নিজেকে পুরস্কৃত করা। এটি একটি কাজ শেষ করার পরে বিরতি নেওয়া বা উত্পাদনশীল কিছু করার পরে তাদের প্রিয় শো দেখার জন্য কিছু সময় নেওয়া থেকে কিছু হতে পারে। ইতিবাচক শক্তিবৃদ্ধি কাজ করে কারণ এটি পছন্দসই আচরণের সাথে ইতিবাচক অনুভূতি যুক্ত করে ভাল অভ্যাস তৈরি করে। যখন কেউ সাফল্যকে পুরষ্কারের সাথে যুক্ত করে তখন তারা খুব বেশি কাজ করার ধারণায় পুড়ে যাওয়া বা অভিভূত না হয়ে সেই লক্ষ্যের দিকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। ইতিবাচক শক্তিবৃদ্ধি হল একটি শক্তিশালী হাতিয়ার যাতে লোকেদের ফোকাসড এবং উৎপাদনশীল থাকতে অনুপ্রাণিত করা যায়। এটি তাদের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক হতে পারে যারা অলসতার সাথে লড়াই করে, তাদের ধ্বংসাত্মক চক্র থেকে বেরিয়ে আসতে এবং তাদের জীবনে এগিয়ে যেতে দেয়। ইতিবাচক শক্তিবৃদ্ধির মধ্যে পুরষ্কার বা প্রশংসা প্রদান করা জড়িত যখন কেউ একটি লক্ষ্য অর্জন করে বা সঠিক কিছু করে, যা আত্মসম্মান তৈরি করতে এবং সাফল্যের মনোভাব গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারে।ইতিবাচক শক্তিবৃদ্ধি ব্যক্তিদের অনুপ্রেরণা দেয় যে তাদের কাজটি অসম্ভব বলে মনে হলেও চালিয়ে যেতে হবে। এটি তাদের ঝুঁকি নিতে উত্সাহিত করে, কারণ তারা নতুন কিছু চেষ্টা করার সম্ভাবনা বেশি যদি তারা জানে যে তারা এর জন্য পুরস্কৃত হবে। উপরন্তু, ইতিবাচক শক্তিবৃদ্ধি লক্ষ্যগুলির দিকে অগ্রগতির উপর ধারাবাহিক প্রতিক্রিয়া প্রদান করে, যাতে লোকেরা দেখতে পারে যে তারা কতদূর এসেছে এবং তারা যা অর্জন করেছে তার জন্য গর্ব বোধ করতে পারে। সাফল্য অর্জন করা - যতই ছোট হোক না কেন - অবিশ্বাস্যভাবে উত্সাহিত হতে পারে! ব্রেকিং আপ টাস্ক কাজটিকে পরিচালনাযোগ্য খণ্ডে বিভক্ত করা এমনকি অলস ব্যক্তিদের জন্যও বড় কাজগুলি মোকাবেলা করার একটি কার্যকর উপায়। এটা কোন গোপন বিষয় নয় যে আমাদের বেশিরভাগেরই আমাদের যা করতে হবে তা বন্ধ করার প্রবণতা রয়েছে এবং এটি বিশেষভাবে সত্য যদি এটি একটি বিশাল উদ্যোগের মতো মনে হয়। কিন্তু কাজটিকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে, আপনি সহজেই এটি সম্পূর্ণ করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করতে পারেন।আপনার কাজগুলিকে বিচ্ছিন্ন করার সর্বোত্তম উপায় হল নির্দিষ্ট লক্ষ্য তৈরি করা যেমন সময়সীমার সময়সীমা এবং প্রতিটি লক্ষ্যের মধ্যে মিনি-টাস্কগুলি। এটি অলস ব্যক্তিদের পুরো প্রকল্পের দ্বারা অভিভূত বা ভয় না পেয়ে এক সময়ে একটি অংশে ফোকাস করা সহজ করে তুলবে। আপনি আপনার অগ্রগতি জুড়ে পুরষ্কারও সেট করতে পারেন যা শুধুমাত্র অনুপ্রেরণা হিসাবে কাজ করে না বরং এর মধ্যে উপভোগ্য কিছু দিয়ে দীর্ঘ প্রসারিত কাজকে ভেঙে দিতে সহায়তা করে। উপসংহার: উৎসাহমূলক কর্ম একজন অলস ব্যক্তি হিসাবে, এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে কিছু না করার চেয়ে পদক্ষেপ নেওয়া সর্বদা ভাল। সামঞ্জস্যপূর্ণ, ছোট পদক্ষেপগুলি গতিবেগ তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত বৃহত্তর কর্মের দিকে নিয়ে যেতে পারে। এটি স্বীকার করাও গুরুত্বপূর্ণ যে যাত্রাটি চ্যালেঞ্জিং হতে পারে এবং অগ্রগতি অর্জনের জন্য উত্সর্গ এবং প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন।একজন অলস ব্যক্তির জন্য উৎসাহমূলক কাজ শুরু করার সর্বোত্তম উপায় হল অর্জনযোগ্য লক্ষ্য নির্ধারণ করা। নিশ্চিত করুন যে এগুলি বাস্তবসম্মত এবং অর্জনযোগ্য; এটি ন্যূনতম প্রচেষ্টার সাথে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা, গঠন এবং দিকনির্দেশ প্রদান করতে সহায়তা করবে। উপরন্তু, এটি বড় কাজগুলিকে ছোট অংশে বিভক্ত করা বা প্রয়োজনে বন্ধু বা পরিবারের সমর্থন তালিকাভুক্ত করা সহায়ক হতে পারে। সঠিক মনোভাব এবং আচরণের সাথে, একজন অলস ব্যক্তি সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে! 

Thu, 29 Dec 2022

Active eCommerce cms and All Add-on 40% Off Merry Christmas
Active eCommerce cms and All Add-on 40% Off Merry Christmas
For many businesses, having an eCommerce website is essential to their operations and success. Active eCommerce CMS is the perfect solution for those who are looking for a top-notch Laravel eCommerce script. This comprehensive and user-friendly script provides the ability to build an incredibly efficient and attractive eCommerce website that can stand up to the highest levels of competition. It is one of the most trusted scripts on the market due to its advanced features, reliable performance, and robust security protocols.The e-commerce industry is constantly changing, with new technologies, platforms, and tools emerging to meet the ever-growing demand for online shopping. Active eCommerce CMS is a revolutionary multi-vendor e-commerce script that provides businesses with the necessary tools to quickly and easily launch a successful online store. This advanced Laravel eCommerce script offers an array of features designed to help business owners create and maintain a fully functional eCommerce website.Active eCommerce cms and All Add-on 40% Off Merry Christmas40% OFF Active eCommerce CMS40% OFF Active eCommerce Flutter App40% OFF Active eCommerce Delivery Boy Flutter App40% OFF Active eCommerce Seller App40% OFF Active eCommerce Auction Add-on40% OFF Active eCommerce Wholesale (B-B) Add-on40% OFF Active eCommerce Refund add-on40% OFF Active eCommerce OTP add-on40% OFF Active eCommerce Offline Payment Add-on40% OFF Active eCommerce Club Point Add-on40% OFF Active eCommerce Asian Payment Gateway add-on40% OFF Active eCommerce POS Manager Add-on40% OFF Active eCommerce Seller Subscription Add-on40% OFF Active eCommerce Affiliate add-on40% OFF Active eCommerce African Payment Gateway Add-on What is an Active eCommerce CMS? An active eCommerce CMS is a best Laravel eCommerce script that offers advanced features and capabilities for businesses looking to manage their digital stores. It is designed to provide users with an easy-to-use and feature-rich shopping cart system, as well as a powerful content management system (CMS). With an active eCommerce CMS, businesses can easily create, manage and customize their online store in an efficient manner.The main advantage of using active eCommerce CMS over other solutions is its flexibility and scalability. This means that it has the capability to scale up or down depending on the size of the business or its needs. Additionally, it allows users to create customised shopping carts with options such as payment gateways, product categories, discounts and promotional codes. Benefits of Active eCommerce CMSAn active eCommerce CMS is essential for business owners who want to build an online store and sell their products or services. Using the best Laravel eCommerce CMS, business owners can create and maintain a feature-packed website with minimal effort. Active eCommerce CMS provides users with a comprehensive suite of tools that allow them to quickly and easily create, manage, and optimize their online stores. Active eCommerce CMS offers numerous benefits for businesses looking to establish an online presence. It makes it easier for business owners to customize their websites according to their specific needs, allowing them to tailor the look, feel, and functionality of the store in a matter of minutes. Additionally, its powerful features make it possible for companies to integrate payment gateways into the website without needing any technical knowledge. This means customers can purchase items securely from anywhere in the world without having any concerns about security issues.Features of Laravel eCommerce ScriptLaravel ecommerce script is a popular open source ecommerce platform that offers developers an enhanced set of tools to create active and dynamic websites from scratch. With Laravel ecommerce script, it is possible to build an entire online store with all the necessary features in no time.  The most attractive feature of Laravel ecommerce script is the array of all-inclusive components that are available out of the box. These include payment gateways, product management, order management, inventory tracking, third party integrations and more. It also allows businesses to easily control their digital storefronts by providing a comprehensive and intuitive user interface. Moreover, Laravel ecommerce script comes with plenty of customization options including themes, layouts and plugins that users can take advantage of in order to create engaging shopping experiences for their customers.Build Your Store with Laravel eCommerce ScriptAre you looking to build an ecommerce website quickly and easily? Consider using the Laravel eCommerce script. This active ecommerce CMS offers all the features you need to get your store up and running. It is easy to install, customize and manage - making it one of the best Laravel ecommerce solutions available today.The main benefit of using the Laravel script is that it comes with a wide range of features designed specifically for building an online store. From product management modules to payment options, customer accounts and order tracking, this eCommerce solution provides everything you need in order to build a successful online business. Additionally, there are also third-party plugins available that can extend the functionality of your store further. With so many options at your disposal, you can easily tailor your website according to your exact requirements without breaking a sweat!Advanced Payment OptionsIntroducing 20+ advanced payment gateway options that are designed to make online transactions safe and secure, this article is perfect for any business looking to expand their digital presence. With the ability to customize settings and support for major credit cards, these gateways provide businesses with a range of options to suit their individual needs. From built-in fraud prevention strategies to additional features like mobile compatibility, these payment gateways offer something for everyone. Businesses can choose from a variety of popular payment gateways such as PayPal and Stripe to more specialized services such as SSl Commarce and bkash. Each gateway offers different levels of security and encryption protocols in addition to tailored merchant tools and reporting capabilities. Plus, most come with integrations into major eCommerce platforms like Shopify, Bigcommerce or Magento so customers can check out quickly without leaving the page.Scalability and SecurityThe ability to scale and secure an Active eCommerce CMS is a critical factor for any e-commerce platform. The challenge of ensuring scalability and security of the system can be daunting, but understanding the basics of how it works can help business owners make informed decisions about their online store.An Active eCommerce CMS is designed to provide robust flexibility in terms of managing content, products, and services. This creates an environment that allows businesses to streamline operations while providing customers with a seamless experience when shopping online. Additionally, it also enables organizations to easily scale as their operations grow and demands increase. When selecting such a system, it’s important to consider scalability options like cloud hosting or virtualization which ensures that the website can handle high levels of traffic without compromising its performance.40% OFF Active eCommerce Flutter AppThe active eCommerce CMS Flutter App provides customers with a convenient way to browse through products, view product information, search for items and create accounts so they can complete purchases quickly and easily. It also offers advanced reporting tools which allow users to track sales, monitor inventory levels and analyze customer demand. Additionally, the app can be integrated with payment gateways allowing customers to securely make payments directly from their phones or tablets.SMS Gateway7 Plus SMS Gateway Option is a revolutionary new way to communicate with customers and contacts. This active ecommerce cms allows businesses to quickly and easily send messages, notifications, alerts and updates to their customers in an efficient manner. With scalability and security being a priority, 7 Plus provides reliable service that businesses can trust. The system is designed to ensure maximum e-commerce security while minimizing the cost of communication. Businesses no longer have to worry about spending too much time or money on keeping their message delivery up-to-date; 7 Plus simplifies their communications process so they can focus on other areas of their business. Furthermore, this secure platform also eliminates the need for manual input when it comes to sending messages as it handles everything automatically.Conclusion The conclusion of our analysis is that an active eCommerce CMS is the best Laravel eCommerce script to use for web development. It has a lot of features that make it one of the most popular scripts in the market. The user-friendly interface makes it easy to create and manage any type of store with ease.Moreover, this script offers high scalability, meaning you can easily increase or decrease your store size as per your needs without any hassle. Moreover, its customizable nature enables users to customize their website and add unique features according to their preferences. Furthermore, its security measures ensure that all your customer’s data remain secure and safe from hackers or unauthorized accesses at all times. Finally, it comes with great support options so you can always get help and advice whenever needed. Active eCommerce cms and All Add-on 40% Off Merry Christmas 40% OFF Active eCommerce CMS40% OFF Active eCommerce Flutter App40% OFF Active eCommerce Delivery Boy Flutter App40% OFF Active eCommerce Seller App40% OFF Active eCommerce Auction Add-on40% OFF Active eCommerce Wholesale (B-B) Add-on40% OFF Active eCommerce Refund add-on40% OFF Active eCommerce OTP add-on40% OFF Active eCommerce Offline Payment Add-on40% OFF Active eCommerce Club Point Add-on40% OFF Active eCommerce Asian Payment Gateway add-on40% OFF Active eCommerce POS Manager Add-on40% OFF Active eCommerce Seller Subscription Add-on40% OFF Active eCommerce Affiliate add-on40% OFF Active eCommerce African Payment Gateway Add-on

Thu, 29 Dec 2022

প্যানিক ডিজঅর্ডার বা আতঙ্কের অসুখ | মানসিক সমস্যা থেকে ফিরে আসার বাস্তব জীবনের গল্প
প্যানিক ডিজঅর্ডার বা আতঙ্কের অসুখ | মানসিক সমস্যা থেকে ফিরে আসার বাস্তব জীবনের গল্প
প্যানিক ডিজঅর্ডার বা আতঙ্কের অসুখ | মানসিক সমস্যা থেকে ফিরে আসার বাস্তব জীবনের গল্প: মানসিক সমস্যা থেকে ফিরে আসার বাস্তব জীবনের গল্প। এম সাদ্দাম হোসেন (29 বছর), )এক 1.5 বছর) সন্তানের বাবা। স্ত্রী-ছেলে নিয়ে  সাতক্ষীরাতে বসবাস করেন। রাজ্ মিস্তিরি ও অনলাইন ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করেন তিনি পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ শিখুন এবং প্রাক্টিস করছেন। তবে মাঝেমধ্যেই তার শরীর খারাপ লাগে, হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসে, শরীরে ঘাম হয় ও দম বন্ধ হয়ে আসে। মনে হয় এখনই তিনি মারা যাচ্ছেন। শুরুটা হয়েছিল একটি সাথে কাজ করতে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থতা!এভাবে আধা ঘণ্টার মতো থাকে অসুস্থতা। পরে আবার ঠিক হয়ে যায়। তবে এ রকম হওয়ার একটা ভয় তার মনে সারাক্ষণই কাজ করে। অনুভূতিটা সহ্যের বাইরে। তিনি এই লক্ষণ নিয়ে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে অনেকবার ভর্তি হয়েছেন। ডাক্তাররা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তেমন কিছু অসুবিধা পাননি। কয়েক বার হসপিটালে ভর্তি হওয়া হসপিটালের মেডিসিন বিভাগের  প্রধান ডাক্তার বলেন তিনি আর ঠিক হবেনা। মানুষিক সমসসায় সে জড়িয়ে গেছে । ক্যান্সারহলে তো মানুষ মারা যায় কিন্তু তিনি মরবেনা । শুধু এভাবে মানুষকে ও পরিবার কে জ্বালাবে । রোগটি মহামারি আকার ধারণ করেছে। এবং পরিবারকে বলেন তাকে আর হাসপাতালে আনার প্রয়োজন নেই।  হোসেন বলেন তাহলে সুস্থ হওয়ার উপায় কি? ডাক্তার বলেন এটা কখনো ভালো হবে না! হোসেন বলেন তাহলে কি হবে? ডাক্তার বলেন পরবর্তীতে এটি আরো বেশি হবে! তবে হোসেন বলেন মেডিসিন বিভাগের  প্রধান ডাক্তার তিনি কোন বিষয় কি ইঙ্গিত করে বলেছেন সেটি তার জানা নেই। তবে  মানসিক সমস্যা থেকে অবশ্যই------------- ফিরে আসা যায়! যদি সঠিক একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাহায্য নেয়া যায়! সাদ্দাম হোসেন আরো বলেন যেমন আমি আজ সম্পূর্ণ সুস্থ এমনকি এই আর্টিকেলটি লিখছে। দীর্ঘ দুই আড়াই বছরের মর্মান্তিক রোগ থেকে ফিরে আসার পিছনে আল্লাহর অশেষ রহমতে যে ডাক্তার আমাকে সাহায্য করেছেন তিনি হচ্ছেন (মনোরোগ বিশেষজ্ঞ মেজর ডাক্তার এ কে এম নাজমুল হাসান (MBBS, FCPS (Psychiatry)) and ডাক্তার আব্দুর রশিদ (MBBS) (মেডিসিন) সাদ্দাম হোসেন আরো  বলেন: তবে ফ্যামিলির সাপোর্ট অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যখন আমি এই রোগে আক্রান্ত হয়েছি তখন আমার ফ্যামিলির সাপোর্ট ছিল অনেক স্ট্রং। বিশেষ করে আমার স্ত্রী  (সোনালী হোসেন) পিতা-মাতা শশুর শাশুড়ি ভাই বোন ও সকল আত্মীয়-স্বজন তারা খুবই কেয়ার করতো আমাকে! আমি এখন মনে করি: মানসিক রোগ কোন রোগী নয় এটি থেকে মুক্ত হওয়া যায় এটি ভালো হয়ে যায়!40 থেকে 50 টা ছোট বড় ডাক্তারের পরামর্শ নিয়েছি কমবেশি ওষুধ খেয়েছি এবং 60 থেকে 70 টা কবিরাজ দেখিয়েছে কমবেশি ওষুধ খেয়েছি ও দোয়া তাবিজ  নিয়েছি কাজ হয়নি।  সঠিক রোগের জন্য সঠিক ডাক্তার প্রয়োজন। আর অবশ্যই সে ডাক্তারকে হতে হবে মানুষরূপী ডাক্তার কষাই নামের ডাক্তার না। 40 থেকে 50 টা ছোট বড় ডাক্তার এর মধ্যে অনেক এমবিবিএস ডাক্তার রয়েছে যারা এই ধরনের রোগী যখন তাদের পাশে যায় তারা রোগীকে বসতে বলার আগে প্রেসক্রিপশন করে দেয়। কিসু শুনতেও চায়না। কারণ এই ধরণের রোগির বেশ কিছুটা পাগলের মত হয়ে থাকে। ইমনকে এই শ্রেণীর ডাক্তাররা এই ধরনের রোগীদের কে মানুষ বলে মূল্যায়ন করে না আমি তার বাস্তব উদাহরণ। এই  ডাক্তাররা একদিনে 40 থেকে 200 রোগী দেখে থাকেন। এক সপ্তা দুই সপ্তাহ আগে সিরিয়াল দিতে হয়। এবং যখন তাদের চেম্বারে  যাওয়া হয়, দুই থেকে তিন মিনিটে রোগীদের কে বিদায় করে দেন। এবং মোটা অংকের টাকা নেন। কারণ তারা এখন নামে কাটে। কারণ তাদের নাম ডাক হয়ে গেছে এখন। হতে পারে পূর্বে একসময় তারা হয়তো ভালো মানের ডাক্তার ছিল।  শুধু তাই না তাদের ব্যবসা এখন পরীক্ষা নির্ভর রোগী যখন তাদের পাশে যায় বেশ কিছু টেস্ট দেয় এবং সেখান থেকে তারা কমিশন খায় রোগীর কাছে পুরাতন টেস্ট রিপোর্ট থাকলেও সেগুলো তারা দেখে না তারা তাদের ইচ্ছামতো পছন্দের জায়গায় পরীক্ষা করতে রোগীকে পাঠিয়ে দেয় সেখানে গেলেও মোটা অংকের পরীক্ষা ফি দিতে হয়! সেই তুলনায় ছোটখাটো ডাক্তার গুলো গ্রাম্য ডাক্তার গুলো অনেক ভাল তারা মোটা অংকের টাকা চায় না এবং রোগীর কথাগুলো ভালভাবে শুনে এবং টেস্ট রিপোর্টের নাম রোগীকে হয়রানি করাইন!  যাইহোক ডাক্তারের ব্যবহার যদি ভাল হয় তাহলে আপনি বুঝবেন যে এই ডাক্তার  ভালো এবং ব্যবহার যদি খারাপ হয় ঠিকমতো আপনার সঙ্গে কথা না বলে, আপনার সমস্যাগুলো ঠিকমত না শুনে, তাহলে বুঝবেন এর কাছ থেকে আপনি সুস্থতা আশা করতে পারেন না| এটা আমার মানসিক সমস্যা থেকে ফিরে আসার বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা!এসকল রোগীদের কি হয়?যাই হোক এই সকল রোগীরা ভয়ে কারো বাড়িতে বেড়াতে যেতে পারেন না। সেখানে অসুস্থ হলে তো আর ভালো ডাক্তার পাওয়া যাবে না। এ ছাড়া এই লম্বা রাস্তাটা কীভাবে পার হবেন? অসুখ করলে চিকিৎসা কে করবে? বাড়ি যাওয়া তো দূরের কথা, তার বাড়ির থেকে মাত্র দু-এক মাইল দূরে যাওয়ার সাহস পর্যন্ত তিনি পান না। এর বাইরে যেতে হলে সঙ্গে লোক লাগে। ফলে তার রাজ্ মিস্তিরি কাজ ও ব্যবসার মাল কিনতে অন্যদের ওপর নির্ভর করতে হয়। এমন কি নিজের একটা প্রয়জনীয় জিনিস কিন্ত কারো না কারো উপর নির্ভর করতে হয়। ব্যবসা চালাতে হলে যে প্রচুর যোগাযোগ রক্ষা করতে হয় তাও তিনি মোবাইলে সারেন। সশরীরে যেতে পারেন না।কিছু দিন আগে গরমের ছাদে মিস্ত্রি কাজ করতে করতে তার খুব খারাপ লাগল। মাথা ঘুরতে লাগল। মনে হলো এক্ষুনি অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাবেন। দম বন্ধ হয়ে আসছিল। মনে হচ্ছিল এখনই মরে যাবেন। কিছুক্ষণ পর একটু ভালো লাগায় কোনোমতে বাসায় ফায়ার আসেন । এরপর একজন গ্রাম্য ডাক্তার কে দেখান তিনি বলেন তার শারীরিক দুর্বলতার কথা তাকে এই মুহূর্তে স্যালাইন পুশ করা উচিত এবং ভিটামিন খাওয়া উচিত! কথামতো চিকিৎসা হলে এবং বেশ কয়েকদিন ভালো থাকলে!কয়েকদিন পরপর পর বেশ কয়েকবার এমনটা হলো। এখন ভয়ে আর বাহিরে যান না নিজের কাজ ও করেন না সংসার চালানো অনেক কঠিন । সামান্য কিছু টাকা জোগাড় করে  চিকিৎসা নিয়েছেন। মনের মধ্যে টেনশন,। অসুস্থতার আগে তিনি অনলাইন ফ্রীলান্সিং এর কাজ শিখসিলেন গুগলের বিভিন্ন ব্লগ পড়ে। হঠাৎ একদিন একটি আর্টিকেল পান তার প্যানিক ডিসঅর্ডার নামের একটি রোগ হয়েছে । ব্লগ পোস্টে তিনি আরো জানতে পারে এবং তার অসুখের সাথে মাইল যায় ।প্যানিক ডিসঅর্ডার হলো একধরনের মানসিক অসুখ, যাতে ব্যক্তি প্রচণ্ড আতঙ্কের শিকার হন এবং এটা ১০-১৫ মিনিটের মতো স্থায়ী হওয়ার পর আবার ধীরে ধীরে চলে যায়। অনেকে এ ধরনের অ্যাটাকের পর ৩০ মিনিটের মতো শারীরিক দুর্বলতার কথাও বলেন। প্যানিক অ্যাটাকের হার হলো শতকরা ৩ থেকে ৪ ভাগ।পুরুষদের তুলনায় মেয়েদের মধ্যে এই রোগ দুই থেকে তিনগুণ বেশি দেখা যায়। প্যানিক অ্যাটাকের লক্ষণ হলো- এখনই মারা যাচ্ছি এমন অনুভূতি (এর সঙ্গে থাকে তীব্র আতঙ্ক), বুক ধড়ফড় করা, অতিরিক্ত হৃদস্পন্দন হওয়া, বুকে ব্যথা বা অস্বস্তি, ঘাম, শরীর ঠাণ্ডা বা গরম হয়ে আসা, শরীর কাঁপা, শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, বমি ভাব বা পেটের অসুবিধা, শরীর অসুস্থ লাগা, মাথা হালকা হয়ে আসা,গল গলা শুকিয়ে আসা, অজ্ঞান হওয়ার অনুভূতি হওয়া, শরীর অবশ হয়ে আসা, শরীর ঝিন ঝিন করা এবং বিভিন্ন রকম ভয়ের চিন্তা ইত্যাদি।প্যানিকের রোগী সচরাচর কতগুলো পরিস্থিতি ও কাজকে বিপজ্জনক মনে করে এড়িয়ে চলেন। যেমন : তারা একা একা বাড়ি থেকে দূরে কোথাও যেতে চান না। আবার বাড়িতে একা একা থাকতে পারেন না যখনই বাড়িতে একা একা থাকেন তখনই তিনি অসুস্থ হয়ে যান| ভিড়,  ট্রাফিক জ্যাম, শপিং মল, লিফ্ট ব্যবহার, ট্রেন, বাস, লঞ্চ, প্লেন ইত্যাদি ব্যবহার, বড় সমাবেশ, বড় মসজিদের সামনের সারিতে নামাজ পড়া, ডাক্তার নেই এ ধরনের দূরবর্তী স্থানে ভ্রমণ, অপরিচিত মানুষের সাথে দীর্ঘক্ষণ গল্প করা, কোন মজলিসে বসে থাকতে না পারা, কোন খেলাধুলায় মন না বসা বা না করতে পারা, কোন এক জায়গায় গেলে অস্বস্তি মনে হওয়া যেমন চুল কাটাতে ব্যাংকে বাজারে কেনাকাটা করতে গিয়ে ইত্যাদি! এই সকল বিষয়গুলো যখনই সামনে আসে তখন এড়িয়ে চলে যাওয়াকেন হয় প্যানিক ডিজঅর্ডার  ?এ রোগের কারণ বিষয়ে নানা রকম মত প্রচলিত আছে। মস্তিষ্কে রাসায়নিক উপাদানের ভারসাম্যহীনতার কারণে এই অসুখ হয় বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন। আরেক মত অনুযায়ী, আমাদের সবারই একটি সংবেদনশীল, জন্মগত, শ্বাসরোধবিষয়ক বিপদসংকেত ব্যবস্থা রয়েছে। যদি এই প্রক্রিয়া খুব সহজেই এবং প্রায়ই চালু হয়ে যায় তবে এটি স্বতঃস্ফূর্ত প্যানিক তৈরি করতে পারে। হঠাৎ যে কোনো সময়ে, যে কোনো পরিস্থিতিতে এ ধরনের প্যানিক হতে পারে। যেমন, রাতে ঘুমের মধ্যেও এমনটা ঘটতে পারে। অন্য একটি মতে, বৈবাহিক বা ব্যক্তিগত জীবনে দ্বন্দ্ব বা সমস্যা, নিজের বা ঘনিষ্ঠজনের বড় কোনো অসুখ, ঘনিষ্ঠ কারো মৃত্যু, শিশুর জন্ম, গর্ভপাত, আর্থিক সমস্যা, আর্থিক লোকসান, কর্মস্থলে চাপ, স্বাস্থ্য সমস্যা, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, নেশার প্রতিক্রিয়ায় প্যানিক শুরু হতে পারে। তবে ছদ্মনাম সাদ্দাম হোসেন (29 বছর) তার কি কারনে ধরনের রোগ হয়েছিল তা জানা যায়নি তবে তিনি মনে করেন ব্যক্তিগত কাজের চাপ রাত জাগা ফ্যামিলি থেকে কোন একটি ভয় রাখা শারীরিক অসুস্থতা অতিরিক্ত কাজের চাপ, সঠিক টাইমে খাওয়া-দাওয়া না করা, অথবা হতে পারে বংশগত তবে বংশগত এটি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন না! তবে তিনি একটি বিষয়ে কিছুটা ধারিনা করেন তা হচ্ছে তিনি পিত মাতা ও ভাই বোন থেকে অনেক দিন বিচ্ছিন্ন ছিল এবং কাজের পাশাপাশি তিনি ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সিক্ত এবং এই ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ শেখা কে তার ফ্যামিলি মেনে নিতে চাইত না তাই তিনি ভয়ের  ভিতরে থেকেও গোপনে এই কাজ শিখতো। এবং অনেক রাট জেগে কাজ করতো আবার দিনের বেলায় তার কর্মস্থলে ৮/১০ ঘন্টা ডিউটি করতো যা অনেক পরিশ্রম ছিল। যাই হোকতবে কোনো নির্দিষ্ট কিছু ছাড়াও এটি শুরু হতে পারে। কারো কারো ক্ষেত্রে দেখা যায় যে,ভয়ের সময় অধিক দ্রুত শ্বাস নেওয়ার ফলে প্যানিক হতে পারে।প্যানিক ডিসঅর্ডারের রোগীদের চিন্তার ধরনে অনেক পরিবর্তন আসে, যা তাদের অসুখের টিকে থাকার কারণ হিসেবে কাজ করে। কতগুলো চিন্তা নিচে তুলে ধরা হলো :‘আমি এখনই মারা যাব।’আমি অসুস্থ হয়ে পড়ছি।’আমার একটি মারাত্মক ও ব্যতিক্রমী অসুখ হয়েছে।’আমার বড় কোনো অসুখ হয়েছে। ডাক্তাররা ধরতে পারছেন না।’বুকে ব্যথার অর্থ আমার এখনই হার্ট ফেইলিওর বা ব্রেইন স্ট্রোক হবে।’আমার টিউমার, পাইলস, ক্যানসার, হার্ট, কিডনি, ব্রেইনের বা শরীরের অন্য কোনো স্থানে গুরুতর অসুখ হয়েছে।’ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় আমার মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গেছে বা হবে।’রাস্তায় জ্ঞান হারালে আমাকে কেউ সাহায্য করবে না। আমি বিনা চিকিৎসায় কষ্ট পেতে পেতে নির্মমভাবে মারা যাব।’আমি আর ভালো হব না।’আমার হার্ট কিডনি সব পুচে গেছে!দুনিয়ার যত ধরনের রোগ আছে যখন সেই ধরনের রোগের সাথে মিশে যায় এমন কোনো ইঙ্গিত তিনি দেখতে পান তখনই তিনি ভেবে ওঠেন মনে হয় আমাকে সেই রোগী গ্রাস করেছে! যা এই মুহূর্তে আমার মৃত্যুর কারণ হতে পারে! ছদ্মনাম সাদ্দাম হোসেন (29 বছর) তিনি বলেন মজার ব্যাপার হলো হঠাৎ আমি অসুস্থ আমার প্রেসার লো হয়ে গেছে এখনই আমি মারা যাব এমত অবস্থায় একজন ডাক্তারকেফোন করা হলো তিনি আমার বাসায় আসলেন আসার সাথে সাথে আমি ভালো হয়ে গেলাম ডাক্তার কে কোন ট্রিটমেন্ট করার প্রয়োজন হয়নি এমনকি ডাক্তার কেবলমাত্র এসেছে এখনো চেয়ারে বসে নি! যাই হোক তিনি আরো বলেন! এই অসুস্থ সময়টায় তিনি চোখ বন্ধ করে থাকতেন এবং অনেক কিছু ভাবটেন তবে তিনি মনে করেন এই সময় যদি কোন রোগী চোখ বন্ধ না করে থাকে তাহলে সেটি তার জন্য ভালো হবে কারণ চোখ বন্ধ করে থাকার কারণে বিভিন্ন চিন্তা মস্তিষ্কের ভিতরে আসে এবং যার ফলে তিনি আরো বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েনপ্যানিক ডিজঅর্ডার রোগীরা সারাক্ষণনিজের অসুখ নিয়ে চিন্তিত থাকেন। অসুখের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে কি না বা বেড়ে গেল কি না, তা নিশ্চিত করতে তারা সারাক্ষণই শরীরের দিকে কড়া নজরদারি চালিয়ে যান। কেউ কেউ হার্ট বিট, ব্লাডপ্রেসার এগুলো নিয়মিত মাপেন। অনেকে এমনকি মিনিটে কতবার শ্বাস নিচ্ছেন তাও পরিমাপ করেন। প্যানিকের রোগীরা শরীরের সামান্য খারাপ অবস্থা দেখলেই তার ভুল ব্যাখ্যা করে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ফলে লক্ষণ বেড়ে প্যানিক অ্যাটাক হয়। এমন কি দিনে ঠিক টাইমে বাথরুম ও পেশাব না হয় সেটিও চিন্তার একটি কারণ হয়ে দাঁড়ায়!প্যানিকের রোগীরা অনেক ধরনের জায়গা, কাজ ও পরিস্থিতি এড়িয়ে চলেন যা পরিণামে তাদের অসুখকে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে। যেমন : তাঁরা একা বাইরে যেতে চান না, ট্রাফিক জ্যামে থাকতে পারেন না বা পাবলিক বাস ব্যবহার করতে চান না। এ ছাড়া এঁরা শারীরিক পরিশ্রমও এড়িয়ে যান। কখনো যদি বাধ্য হয়ে বাইরে যেতে হয় তখন অনেকে সঙ্গে কাউকে নিয়ে বের হন। শুধু তাই না এমন কাউকে নিয়ে বের হন তিনি তার বিশ্বস্ত এবং তিনি মনে করেন তিনি যদি অসুস্থ হয়ে পড়েন তাহলে সেই ব্যক্তি সামলাতে পারবে!প্যানিকের যে লক্ষণগুলো তৈরি হয়,প্যানিকের যে লক্ষণগুলো তৈরি হয়, তার শারীরবৃত্তীয় ব্যাখ্যা আছে। আমরা যখন বিপন্ন হই, তখন নার্ভাস সিস্টেমের অটোনমিক সিস্টেমের অংশ সিম্পেথিটিক নার্ভাস সিস্টেম আমাদের দেহের গ্লান্ড এবং অঙ্গগুলোকে বিপদ মোকাবিলায় প্রস্তুত করে।ফলে স্নায়ু, মাংসপেশি ও মস্তিষ্কে আরো রক্ত আসে। অপ্রয়োজনীয় অঙ্গ ও হজম প্রক্রিয়ায় রক্ত সরবরাহ কমে যায়। এভাবে থাইরয়েড ও এড্রিনালিন গ্লান্ড কার্যকরী হয়ে আক্রমণ অথবা পালানোর জন্য অতিরিক্ত শক্তি সরবরাহ করে। সারাক্ষণ সিম্পেথিটিক নার্ভাস সিস্টেম কার্যকরী থাকা দেহের জন্য ভালো নয়। যখন বিপদ কেটে যায় বা চাপ কমে যায়, তখন শরীরের ‘শাট অফ’ প্রক্রিয়া চালু হয়। এ ক্ষেত্রে স্নায়ুতন্ত্রের অটোনমিক নার্ভাস সিস্টেমের অংশ প্যারাসিম্পেথিটিক নার্ভাস সিস্টেম সক্রিয় হয়। ফলে আর এড্রিনালিন ক্ষরিত হয় না। হৃদস্পন্দন ইত্যাদি কমে যায়। আমরা আরাম অনুভব করি। উল্লেখ্য, সিম্পেথিটিক ও প্যারাসিম্পেথিটিক নার্ভাস সিস্টেম একসঙ্গে কাজ করতে পারে না। একটি সক্রিয় থাকলে অন্যটি অবশ্যই নিষ্ক্রিয় থাকবে। দুটোর যথাযথ ক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা চলি। দীর্ঘমেয়াদি চাপের ফলে মস্তিষ্কের রিসেপ্টরের ক্ষতি হয়। ফলে শাট অফ বা বন্ধ করার প্রক্রিয়া কাজ করে না। অর্থাৎ প্যারাসিম্পেথিটিক নার্ভাস সিস্টেম সক্রিয় হচ্ছে না। ফলে এড্রিনালিন রিলিজ হলেও এর নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়া কাজ করে না। ফলে হঠাৎ অনেক এড্রিনালিন ক্ষরিত হয় ও প্যানিক ডিসঅর্ডারের লক্ষণ তৈরি হয়।যখন আমরা মানসিক চাপে থাকি, তখন ছোটখাটো বিষয়কে ভুল ব্যাখ্যা করে আমরা বিপজ্জনক বলে মনে করি। ফলে এটিকে বিপদ হিসেবে ধরে নিয়ে আমাদের দেহ সেভাবে প্রতিক্রিয়া করে। কিন্তু আমাদের ভুল ব্যাখ্যার কারণে সৃষ্ট তথাকথিত বিপদ আর সহসা কাটে না (আসলে বিপদ তো নেই)। কিন্তু দেহ এটিকে বিপদ হিসেবে ধরে নেয়। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে সিম্পেথিটিক নার্ভাস সিস্টেম সক্রিয় থাকে এবং আমরা অসুস্থ বোধ করি।কোন কোন ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, প্যানিক ডিসঅর্ডারের রোগী ঘন ঘন শ্বাস ফেলেন। এর ফলে কতগুলো লক্ষণ তৈরি হতে পারে, যেমন : মাথা ঘোরা, মাথা ব্যথা করা, কানে ধাতব শব্দের মতো শব্দ শোনা, শারীরিক দুর্বলতা, মূর্ছা যাওয়ার অনুভূতি, তীব্র যন্ত্রণার অনুভূতি, অসাড়তা ইত্যাদি। ফলে রোগী ভয় পেয়ে যেতে পারেন যা লক্ষণগুলোকে আরো বাড়িয়ে দিতে পারে।চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে না চললে এবং ঠিকমতো ওষুধ না খেলেও রোগ টিকে থাকে। প্যানিক ডিজঅর্ডার হলে  করণীয় : •চিন্তার ধরন বদলে ফেলুন। অধিক ইতিবাচক বা অধিক নেতিবাচক চিন্তায় কোনো লাভ নেই। ভারসাম্যপূর্ণ চিন্তা করুন। অগ্রিম চিন্তা করে কোনো লাভ নেই। যদি তবুও চিন্তাগুলো আসতেই থাকে তবে এটিকে গুরুত্ব না দিয়ে নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত  হয়ে যেতে পারেন।• নিজেকে নিজে সাহস দিন। মনে মনে বলুন, ‘এ রকম আগেও বহুবার হয়েছে। আমার কোনো ক্ষতি হয়নি। খারাপ অবশ্য লেগেছে। আবার পরে ঠিকও হয়ে গেছে। এবারও আশা করা যায় সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় ঠিক হয়ে যাবে।’ জন্ম নিয়েছি মরে যেতে হবে দুদিন আগে অথবা পরে চিন্তার কোন কারণ নেই!• মনে রাখবেন, প্যানিক অ্যাটাকে প্রচণ্ড আতঙ্ক ও কষ্ট হলেও এতে মৃত্যু হয় না। অতীতে আপনার বহুবার এ ধরনের অ্যাটাক হয়েছে। আবার ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে কেটেও গেছে। এবারও কেটে যাবে। মনে রাখবেন, ডাক্তার বলেছে যে, আপনার শরীরে কোনো অসুবিধা নেই। কাজেই ভয় নেই। কারণ একজন এমবিবিএস ডাক্তার তিনি অনেক জ্ঞানের অধিকারী তিনি অনেক মানুষকে অসুস্থতা থেকে সুস্থতা করতে অবদান রাখেন!• ডাক্তার ও টেস্টের ফলাফলের ওপর আস্থা রাখুন। নিয়মিত ওষুধ খান। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাবেন না, বন্ধ করবেন না বা ওষুধের মাত্রার মধ্যেও কোনো পরিবর্তন আনবেন না।• অপ্রয়োজনে কারো কাছেই সান্ত্বনা নেবেন না। দৌড়ে হাসপাতালেও যাওয়ার প্রয়োজন নেই। সহ্য করুন। একটু পরে এমনিতেই লক্ষণ কমে যাবে।• অসুখের লক্ষণ শুরু হলে ওই বিষয়ে চিন্তা না করে অন্য কোনো বিষয়ে চিন্তা করবেন। কারো সঙ্গে গল্পগুজব করতে পারেন (তবে অসুখের বিষয়ে কথা বলা চলবে না)। আশপাশ থেকে হেঁটে আসতে পারেন। টেলিফোনে কারো সঙ্গে কথা বলতে পারেন। আশপাশের মানুষ বা দৃশ্যের দিকে মন দিতে পারেন।• ধীরে ধীরে পেট ভরে শ্বাস নিয়ে আস্তে আস্তে ছেড়ে দিন। এভাবে চালিয়ে যান। বেশ কয়েক মিনিট করলে আপনার লক্ষণ কিছুটা কমে আসতে পারে। • যখন প্যানিক অ্যাটাক হয় তখন কাগজের ঠোঙার মধ্যে শ্বাস ফেলে আবার সেখান থেকেই শ্বাস নেবেন। এভাবে কয়েক মিনিট চালিয়ে গেলে আপনার লক্ষণগুলো কমতে শুরু করতে পারে। ঠোঙাটি এমনভাবে নাক ও মুখের সঙ্গে আটকে নেবেন, যাতে বাইরে থেকে অতিরিক্ত বাতাস ঠোঙার মধ্যে না আসতে পারে। তবে এ কাজে কখনোই প্লাস্টিক ব্যবহার করবেন না।• একা বের হবেন। সঙ্গে লোক নিয়ে বের হওয়ার কোনো দরকার নেই। পকেটে জরুরি সময়ে খাবার জন্য ওষুধ, খাদ্য বা পানীয় রাখারও কোনো মানে হয় না। মাত্রাতিরিক্ত টাকা-পয়সা রাখার বা অপ্রয়োজনে গাড়ি ভাড়া করে কোথাও যাওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই। ভয়ের কারণে একটা গাড়ি ভাড়া কেন করবেন? যদি স্বাভাবিকভাবে বাসে যাতায়াত করার কথা থাকে তবে বাসই ব্যবহার করুন। প্যানিক ডিসঅর্ডার থেকে বাঁচার জন্য অতিরিক্ত কোনো সতর্কতা নেওয়ার প্রয়োজন নেই। এই সতর্কতা ছাড়াই আপনি দিব্যি পারবেন।এগুলো নিলে বরং আপনার আত্মবিশ্বাস কমে যাবে। ভাববেন এগুলোর কারণেই এ যাত্রায় বাঁচলেন। আসলে এমনিতেও কিছু হতো না। আপনার ভয়গুলো মোকাবিলা করুন। যে কাজে ভয় পান সেগুলো করুন। একবারে না পারলে প্রথমে অল্প ভয়ের কাজ করে, এরপর ধীরে ধীরে আরো বেশি ভয়ের কাজগুলো করে সবশেষে চরম ভয়ের কাজগুলো অভ্যাস করতে পারেন। এতে আস্তে আস্তে ভয় কেটে গিয়ে স্বাভাবিক হয়ে যাবে ব্যাপারগুলো।  • দেহের শারীরিক প্রক্রিয়াগুলো স্বাভাবিক আছে কি না তা নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত না হওয়ার চেষ্টা করুন। এগুলোর দিকে একেবারেই লক্ষ করবেন না। শুধু শুধু বারবার রক্তচাপ, হৃদস্পন্দন ইত্যাদি মাপার প্রয়োজন নেই।• বিভিন্ন কারণেই শরীরে ক্লান্তি বা কিছুটা খারাপ লাগতে পারে। যেমন :  নিদ্রাহীনতা, হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে, জোরে শব্দ হলে, অতিরিক্ত গরম বা অতিরিক্ত শীত পড়লে, বদ্ধ জায়গায় অনেক্ষণ থাকলে, পরিশ্রম করলে, যৌন মিলন করলে কিছুটা ক্লান্তি বা খারাপ লাগতে পারে। এই খারাপ লাগাটাকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করবেন না। এই ভুল ব্যাখ্যা করার কারণে আপনার শরিলটা আরো একটু খারাপ হয়ে যায় এরপর ঠিকই আপনি অসুস্থ হয়ে পড়েন!• মৃত্যুকে ভয় পাবেন না। মৃত্যুকে সহজভাবে নিতে চেষ্টা করতে পারেন। কেউ চিরজীবী হয় না।• ব্যস্ত থাকার জন্য কোনো বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে পারেন। আপনি আর বসে বসে মরে গেলাম টাইপের ভয়ের এবং নেতিবাচক চিন্তা করার অবসর পাবেন না। এ জন্য বলা হয়েছে, অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা। ব্যস্ততা আপনাকে প্যানিক অ্যাটাক থেকে বের হয়ে আসতে সাহায্য করবে।• দূরে কোথাও বেড়াতে যেতে পারেন।• নিয়মিত হাঁটতে পারেন।• রিল্যাক্সেশন নামে একধরনের ব্যায়ামের অভ্যাস করলে আপনার লক্ষণ কমতে সাহায্য হতে পারে।• পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও ফিটফাট থাকুন। রোগী রোগী ভাব করে ঘুরলে মন ছোট হয়ে যায়।• ওপরের বুদ্ধিগুলো প্রয়োগ করেও যদি আপনার সমস্যা সমাধান না হয় তবে আপনার বিশেষজ্ঞ সাহায্যের প্রয়োজন। ‘কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি’ নামের একধরনের সাইকোথেরাপি প্যানিক ডিসঅর্ডার চিকিৎসায় বিশেষ কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে। এ ছাড়া প্যানিকের চিকিৎসায় ডাক্তাররা বেশ কিছু ওষুধও ফলপ্রসূভাবে প্রয়োগ করে থাকেন।উপদেশ ও মন্তব্যঃ মনোরোগ বিশেষজ্ঞ মেজর ডাক্তার এ কে এম নাজমুল হাসান (MBBS, FCPS (Psychiatry) and ডাক্তার আব্দুর রশিদ (MBBS) মেডিসিন ও  লেখক: এম সাদ্দাম হোসেন (মানসিক সমস্যা থেকে ফিরে আসার বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা)

Sat, 24 Dec 2022

All blogs