সবাই যেভাবে শুরু করবেন ফ্রিল্যান্সিং বা ইন্টারনেট থেকে আয়।

ইন্টারনেট থেকে আয়: সবাই যেভাবে শুরু করবেন ফ্রিল্যান্সিং
ইন্টারনেট থেকে আয়: সবাই যেভাবে শুরু করবেন ফ্রিল্যান্সিং

So আসা করি সবাই ইন্টারনেট থেকে আয় সম্পকে জানেন…তাও বলছি আর যদি

সত্যিই আপনি ইন্টারনেট থেকে আয়  করতে চান তাহলে বিষয়টি পড়বেন।

বর্তমানে তরুণদের আরেকটি স্মার্ট পেশা হলো ফ্রিল্যান্সিং, দিন যত যায় ততই আমরা আধুনিকার ছোয়া পাচ্ছি এবং সুযোগ সুবিধাগুলো কাজে লাগিয়ে জীবনকে আরো সহজতর করছি, এখন যেকেউ ঘরে বসে যেকোন পন্য দ্রব্য অর্ডার করতে পারে, আবার মোবাইলে মোবাইলে মুহুর্তের মধ্যেই পৃথিবীর যেকোন প্রান্ত থেকে টাকা চলে আসে, ঠিক তেমনি আপনার একটা ইন্টারনেট সংযুক্ত পিসি থাকলেই আপনি ঘরে বসেই নিজের ক্যারিয়ার নিজের ইচ্ছে মত গড়তে পারেন।  এখানে আপনি সম্পূর্ণ স্বাধীন বন্ধুর মাঝে আড্ডায়, কোথাও বেড়াতে গেলেন অথবা কোথাও বসে আপনি কাজ করতে পারেন।আমরা যা শিখি বা আমরা যে ভুল গুলো করি:

“ফ্রিল্যান্সিং” নাম কাজে লাগিয়ে অনেকেই এটাকে বিভিন্ন অসৎ পথে পরিচালনা করার চেষ্টা করেছেন যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ডোল্যান্সার, স্পিকএশিয়া, সাইটটক, ইউনিপেটুইউ, আবার দেখা যায় দেশের বিভিন্ন জেলায় আউটসোর্সিং/ফ্রিল্যান্সিং নাম কাজে লাগিয়ে কোন রেফারেল লিংক কিংবা পিটিসি সাইটগুলোতে ভিজিট/ক্লিক করতে বলেন, অনেকে আবার ঠিকই সত্যিকার ফ্রিল্যানিসিং মার্কেট প্লেস যেমন ওডেস্ক, ইল্যান্স, ফ্রিল্যান্সার ইত্যাদিতে একটা একাউন্ট খুলে দিয়েই নিজের দায়িত্ব শেষ করেন। অথচ তারা নিজেরাও এখানে কাজের অভিজ্ঞতা রাখেন না। কিন্তু বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে, সত্যিকার ফ্রিল্যান্সিং এ আগ্রহী যুবদের প্ররোচিত করে।

মনে রাখবেন সত্যিকার অর্থে এর নাম আউটসোর্সিং না।এই ভুল  শেখার ফলাফল যা হয়ঃ

এইভাবে দেশের অধিকাংশ জেলায় ফ্রিল্যান্সিং এ আগ্রহী যুবকদেরকে অদক্ষ এবং অনভিজ্ঞতা সম্পন্ন লোকেরা কাজ না শিখিয়ে দু-চারটা ধারণা দিয়ে কিংবা একটা একাউন্ট খুলে দু-চার ক্লাস নিয়ে বড় অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়, এভাবে ঐসকল প্রতিষ্ঠানের শেখানো প্রক্রিয়ায় এক দুই মাস কাজে এপলাই করে কিংবা পিটিসি সাইটে এক দুই মাস ক্লিক করে এক সময় তারা হতাশা এবং একগেয়েমি অনুভব করে, যার ফলে তারা ধীরে ধীরে ফ্রিল্যান্সিংএর প্রতি আস্থা হারিয়ে হতাশ হয়ে পড়ে সত্যিকার অর্থে ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে আপনাকে যা করতে হবে ? ১০০ % মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

আমাকে অনেকে প্রশ্ন করে, “ভাই একাউন্ট করতে কত টাকা লাগে?”, প্রশ্নটা যারা সত্যিকার ফ্রিল্যান্সিং করেন তাদের জন্য হাস্যকর কিন্তু যারা সত্যিকার ফ্রিল্যান্সিং এর ছোঁয়া পাননি তাদের জন্য উদ্বেগের। ভাই, সত্যিকার ফ্রিল্যান্সিং কোন টাকা লাগে না, একটা পয়সাও না, এখানে কোন প্রকার বিনিয়োগ করতে হবে না।ফ্রিল্যান্সিং এর প্রথম শর্ত হলো আপনাকে কোন একটা কাজ খুব ভালো জানতে হবে

ইন্টারনেট থেকে আয় যেমন :

  • গ্রাফিক্স ডিজাইন (ভাল ভাবে)
  • ওয়েব ডিজাইন
  • ওয়ার্ডপ্রেস,
  •  জুমলা
  • এসইও SEO (এডভান্স জানতে হবে)
  • ইমেইল মার্কেটিং
  • আর্টিকেল রাইটিং ইত্যাদি।

>স্মার্ট ইংলিশ স্মার্ট ওয়ে টু লার্ন ইংলিশ ” ইংরেজি শেখার অনন্য বই<

ইন্টারনেট থেকে আয়: এগুলোর যেকোন একটি কাজ আপনি জানলে এবং বায়ারের সাথে যোগাযোগের মত ইংরেজী জানা থাকলে আপনি নিজেকে একটি নতুন জগতে আবিষ্কার করতে পারবেন। সকল হতাশা দুর হয়ে আপনি নিজেকে মুল্যায়ন করতে শিখবেন। তবে এতেও কাজ পাওয়ার কিছু কৌশন আছে।

ইন্টারনেট থেকে যেভাবে নিজেকে সফল করতে পারেন:

So প্রথমেই ফ্রিল্যান্সিং কি তা না জেনে জানুন ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করতে হয়। বাংলাদেশীদের বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সার সাধারণত এসইও, মার্কেটিং, ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন কাজগুলো বেশি করে থাকে। এই কাজগুলোর চাহিদাও মার্কেটপ্লেসে ভালো। তবে বর্তমানে সিএমএস ওয়ার্ডপ্রেস এর প্রচুর কাজ আছে। So আপনি ফ্রিল্যান্সিং এ আশার আগে তাই অন্তত ৬ মাস সময় নিন, এই সময়ের মধ্যে আপনি যেকোন একটি কাজ ভালোভাবে শিখুন। আপনি যে কাজটি শিখছেন উক্ত কাজের উপর  ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কি কি ধরণের কাজ টিউন করা হয়, সেগুলোর উপর নজর রাখুন। সাথে সাথে আপনি যে কাজ শিখেছেন উক্ত কাজের উপর বিভিন্ন সাইটে এক্সপার্টদের দেওয়া ডিজাইন কিংবা মতামত দেখুন।

>Fiverr and Digital Marketing Course<

Leave a Reply